২০১৬ সাল থেকে দলীয় প্রতীকে ইউপি ভোট হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৭ জনের দলীয় মনোনয়ন বোর্ড আছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য উপজেলা, জেলা থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীর নামের তালিকা তৃণমূল থেকে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তরে পাঠানো হয়। মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে সেই তালিকা উপস্থাপন করা হয়।
এর বাইরে দলীয় সভাপতি তাঁর নিজস্ব সূত্র ও গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা করেন। এতে প্রার্থীদের জনপ্রিয়তার ক্রম সাজানো থাকে।
আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিটি পর্বেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের টাকা খরচ করতে হয়। প্রথমে তৃণমূলের তালিকায় নাম ওঠানো এবং জেলায় তা অটুট রাখার জন্য টাকা খরচ করতে হয়। কোন্দলের কারণে তৃণমূলের তালিকায় নাম না থাকলে পাল্টা কমিটির মাধ্যমে তালিকা পাঠানোর নজিরও আছে। এ ক্ষেত্রেও টাকা খরচ হয়। এর বাইরে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে নিজের জনপ্রিয়তা দেখাতেও টাকা খরচ করেন কোনো কোনো প্রার্থী। মনোনয়ন বোর্ডের এক বা একাধিক সদস্যকেও নানাভাবে খুশি রাখতে হয়।
